সংখ্যালঘু, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে স্বার্থের সংঘাত বাড়ছে। - TBNEWS

Breaking

TBNEWS

explore the world news

Post Top Ad

READ ALSO

                                                             

Friday, 3 November 2017

সংখ্যালঘু, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে স্বার্থের সংঘাত বাড়ছে।

সংখ্যালঘু, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে স্বার্থের সংঘাত বাড়ছে।{www.techxpertbangla.com}
photo credit-INT
ঢাকা, ২ নভেম্বর- মায়ানমার থেকে গত দু’মাসে পালিয়ে আসা প্রায় ৬ লক্ষ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিপর্যয় ঘটছে। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এই রোহিঙ্গাদের সঙ্গে স্থানীয় মানুষের স্বার্থের সংঘাত হচ্ছে। শরণার্থী গবেষক ও মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, স্থানীয় জনগণ যদি তাদের মৌলিক অধিকার খর্ব হচেছ বলে মনে করেন, তাহলে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে তাদের স্বার্থের সংঘাতে লিপ্ত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাকে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি দ্রুতই স্থানীয় জনগণের সম্পদ ও অধিকার রক্ষার কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফিরিয়ে নিতে মায়ানমারের ওপর চাপ বাড়াতে হবে।
মাইল পাহাড় কাটা, জ্বালানির জন্য বন উজাড়, আসবাকের জন্য বড় বড় গাছগুলো কাটার কারণে কক্সবাজারের উখিয়া এলাকায় ঘটছে পরিবেশ বিপর্যায়। অন্যদিকে, বিপুল সংখ্যায় রোহিঙ্গাদের আগমনে স্থানীয় জনগোষ্ঠী সংখ্যালঘু হয়ে পড়ছে। তাদের চাষের জমি দখল হয়ে গিয়েছে। বিনিয়োগ করা বাগান নষ্ট করে ফেলা হচ্ছে। স্কুলগুলোতে রোহিঙ্গারা এসব স্বাৰ্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে স্থানীয়দের দ্বন্দু শুরু হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কেবল সরকারের জমিতে বসবাস শুরু করেছে তা নয়,
তাদের জমিতেও থাকা শুরু করেছে অনেক রোহিঙ্গা। আর জ্বালানির জন্য উজাড় করছে গাছ। রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কাজ করছেন এমন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দোষারোপ না করে এ ধরনের ঘটনাগুলো যেন না ঘটে, সেদিকে মনোযোগ দিতে হবে। স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাপন যেন ব্যাহত না হয়, সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এদিকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)- এর গবেষণা বলছে, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও অবস্থান করছে। দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক উদ্ধর্বর্গতি, কর্মসংস্থানের সুযোগ হ্রাস, যোগাযোগ ব্যয় বৃদ্ধি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ নানাবিধ সেবায় স্থবিরতা, মান ও অভিগম্যতার অবনতি এর মধ্যে অন্যতম। তাছাড়া, উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের সংখ্যা স্থানীয় বাংলাদেশিদের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। (স্থানীয় বাংলাদেশি জনসংখ্যা ৪ লাখ ৭৫ হাজার, আর রোহিঙ্গা জনসংখ্যা প্রায় ১০ লক্ষ)। দীর্ঘ মেয়াদে এই পরিস্থিতি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা ও উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার
সম্ভাবনা রয়েছে। টিআইবি-র নির্বাহী পরিচালক ড
ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং আমরা মানবিক জায়গা থেকে আশ্রয় দিয়েছি। কিন্তু তাদের চিরদিন রাখতে পারা যৌক্তিক নয়। আমাদের সেই সামর্থও নেই। টিআইবি-র পর্যবেক্ষণে উপরের কারণগুলো বেরিয়ে এসেছে এবং সেগুলো নিয়ে স্থানীয়রা ইতিমধ্যে ভুগতে শুরু করেছে। এর ফল আগামীতে ভালো হবে না। যখন তাদের প্রাপ্যগুলোতে ভাগ
এবং সংঘাত তৈরি হবে। ফলে যত দ্রুত সম্ভব মায়ানমারকে বাধা করতে হবে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে। এটা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব না। এদিকে উখিয়ার কুতুপালং লম্বাশিয়া এলাকার স্থানীয় ভুক্তিভোগী বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, রোহিঙ্গারা সবুজ গাছগাছালি কেটে ফেলেছে। পাহাড়ের মাটি কাটার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের মূল ও শেকড় উৎপাটন করছেন রোহিঙ্গারা। এসব শরণার্থী একের পর এক পাহাড় কাটলেও স্থানীয় বনবিভাগ থেকে কোনও নড়াচড়া নেই। এদিকে উখিয়ার কুতুপালং টেলিভিশন বিলে কেন্দ্রের পাশের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে আশ্রয়প্রার্থী এক তরুণকে ছেলেধরা সন্দেহে মারধর করলে তার মৃত্যু হয়। লাখ লাখ রোহিঙ্গা চলে আসার দু’মাসের মধ্যেই এধরনের অস্থিরতা হওয়ারই কথা উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক সি আর আবরার বলেন, যারা এসেছেন। তারা ট্রামা ভিস্ক্রিম। ওপারে চরম অবস্থা দেখে জীবন আর অনিশ্চয়তা নিয়ে পালিয়ে এসেছেন। ফলে তারা মানসিকভাবে স্বাভাবিক নেই। খাবার-সুপেয় পানি যতই দেওয়া হােক অপর্যাপ্ততা আছে। হবে। নিশ্চয়তা দিতে হবে সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে। জ্বালানি সংকটের কারণে বন উজাড় হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, চাল দেবেন, জ্বালানি দেবেন না, তখন তারা কী করবে। ওই এলাকায় স্থানীয়দের সম্পদ আছে। রোহিঙ্গারা এটা মানবে না— এটাই স্বাভাবিক। এখন দু’মাস হয়ে গিয়েছে। এসব চিহ্নিত করার সময় এসেছে।


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

If You have any Questions or Query You can freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW

আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন ।


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- If You have any Questions or Query You can freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন । #Don’t forget to share this post with your friends on social media

No comments:

Post a Comment

thanks for the comment

READ ALSO