হেমন্তের শিশির ভেজা রাতে শান্তিপুরে রাসোৎসবের সূচনা - TBNEWS

Breaking

TBNEWS

explore the world news

Post Top Ad

READ ALSO

                                                             

Friday, 3 November 2017

হেমন্তের শিশির ভেজা রাতে শান্তিপুরে রাসোৎসবের সূচনা

হেমন্তের শিশির ভেজা রাতে শান্তিপুরে রাসোৎসবের সূচনা{www.techxpertbangla.com}
photo credit-INT
নদিয়া, ২ নভেম্বর- হেমন্তের শিশির ভেজা রাতে শান্তিপুরে রাসোৎসবের সূচনা। চলবে টানা তিনদিন । শান্তিপুরে রাস শাক্ত ও বৈষ্ণবের মহা মিলন ক্ষেত্র। যদিও শান্তিপুরের সাধারণ মানুষ ও বৈষ্ণব ভক্তরা বিশ্বাস করেন যে, অদ্বৈতাচার্যই শান্তিপুরে রাসোৎসকের প্রবর্তন করেন। সেই সূত্রেই বিভিন্ন গোস্বামী বাড়ি ও অন্যান্য বারোয়ারি কমিটির উদ্যোগে বর্তমানে এই রাসোৎসব পালন করা হয়। সকল গোস্বামী বাড়ি ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের ঠাকুরবাড়িতে রাধাকৃষ্ণের অষ্টধাতু এবং কষ্টিপাথরের মূর্তিগুলো নানাবিধ অলঙ্কার ও মূল্যবান কাপড়ে সুসজ্জিত করে রাস মণ্ডপে বসানো হয়। ইতিমধ্যেই নাট মন্দিরগুলো ঝাড়লণ্ঠন ও নানারকম উপকরণে সাজানো শুরু হয়েছে। বড় গোস্বামী বাড়ি, হাটখোলা গোস্বামী, চাকফেরা, পাগলা গোস্বামী, খাঁ চৌধুরী, সাহা বাড়ি সব জায়গাতেই এখন উৎসবের
এদিকে শান্তিপুরের রাসোৎসব ব্রাহ্মণদের বাইরে অব্রাহ্মণ বাড়িতেও মহা সমারোহে অনুষ্ঠিত হয়। শান্তিপুর সাহা বাড়ি আনুমানিক ২৭৫ বছরের প্রাচীন। অবিভক্ত বাংলায় এই পরিবারের কর্তাদের লবণের ব্যাবসা ছিল। সেখান থেকে প্রচুর পয়সা করে প্রথমে কালীপুজো, পরে রাধাকান্ত জিউ। বাড়িতে প্রতিষ্ঠা হয় বলে জানান বর্তমানে এই পরিবারের কর্ণধার জহর সাহা। শান্তিপুর গোপালপুর সাহা বাড়ি ইতিমধ্যেই বেলজিয়াম মোমবাতির আলোর স্নিগ্ধতা। তিনদিনের রাসোৎসবের শেষ দিনে ভাঙা রাসের শোভাযাত্রায় বাজনা বান্দ্যি আলোকসজ্জা, রাইরাজা, বাড়ির
চলেছে বাড়ির সেই পুরনো পালকি। আজকে পালকি মিউজিয়াম চলে গেলেও সাহাবাড়ি সেই পুরনাে ট্রাডিশনকে ধরে রেখেছে। দুটি বাচ্চাকে বরকিনে রূপে সাজিয়ে পালকিতে বসানো হয়। আর রাইরাজার অগ্রভাগে দেখা যায় বাঁশ দিয়ে তৈরি বিভিন্ন স্তরে "থাকা৷” যার অবয়ব অনেকটা সিঁড়ির মতো। তার উপর মহাভারতের কাহিনী অবলম্বনে দ্রৌপদীর বস্ত্ৰহরণ মাটির পুতুলের সাহায্যে দেখানো হবে। অন্ধ ধৃতরাষ্ট্র গালে হাত দিয়ে ভাবছেন দ্রৌপদীর বস্তু হরণের কথা। জমিদার বাড়িগুলির রাসোৎসবে অন্যতম নাম হল দীনদয়াল ঠাকুরবাড়ি। বেলোয়ারি ঝাড়বাতিতে মোমবাতির স্নিগ্ধ আলোয় সাবেকি ঘরানার এ

আগে ব্যবসায়িক কারণে এই পরিবার সমুদ্রগড় থেকে শান্তিপুরে আসে। তাদের ছিল রেশম ও বস্ত্রের ব্যাবসা। অব্রাহ্মণ বাড়ির পুজোর মধ্যে দীনদয়াল প্রামাণিক বাড়ির পুজো অন্যতম। শান্তিপুর মঠবাড়ির বিগ্রহের বয়স আনুমানিক পাঁচশ বছর। কথিত আছে তিলি সম্প্রদায়ভুক্ত এই মঠ” উপাধি প্রদান করেন। এই পরিবার ছিল তৰ্ভুল ব্যবসায়ী। বখতিয়ার খিলজি সৈন্যদের জন্য রসদের উদ্ধার করেন। বখতিয়ার খিলজি হুগলি থেকে তাদের শান্তিপুরে এনে প্রচুর জমিজমা দান করে মঠবাড়ি প্রতিষ্ঠা করে দেন কৃতজ্ঞতাবশত।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

If You have any Questions or Query You can freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW

আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন ।


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- If You have any Questions or Query You can freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন । #Don’t forget to share this post with your friends on social media

No comments:

Post a Comment

thanks for the comment

READ ALSO