বন্যাদুর্গত জেলায় কৃষকদের ৩০৮ কোটি টাকা অনুদান - TBNEWS

Breaking

TBNEWS

explore the world news

Post Top Ad

READ ALSO

                                                             

Wednesday, 1 November 2017

বন্যাদুর্গত জেলায় কৃষকদের ৩০৮ কোটি টাকা অনুদান

বন্যাদুর্গত জেলায় কৃষকদের ৩০৮ কোটি টাকা অনুদান{www.techxpertbangla.com}
photo credit-INT
সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্যের তেরোটি জেলার কৃষকদের জন্য অনুদান ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। এই জেলাগুলির তালিকায় রয়েছে মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম। এবছর সত্ত্বেও কোনও অনুদান মেলেনি। তাই কেন্দ্রের ওপর ভরসা না করেই রাজ্য তার কোষাগার থেকে বন্যাদূৰ্গত জেলার কৃষকদের জন্য ৩০৮ কোটি ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করল। এই টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে চেক মারফত এই টাকা দেওয়া হবে জানালেন কৃষিমন্ত্ৰী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনা, অন্যদিকে বাম আমলে সরকারের এই অনুদান দেওয়ার প্রক্রিয়া। আগামী বছরই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে কৃষকদের জন্য রাজ্য সরকারের এই মানবিক মুখ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণের নিরিখে। রাজ্যে বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের ক্ষেত্রে তেমন উল্লেখযোগ্য কোনও নজির না। গড়লেও তৃণমূল সরকারের আমলে কৃষিতে অনেকটা উন্নতি হয়েছে। কেন্দ্রের কাছ থেকে পরপর চারবার কৃষিকৰ্মণ পুরস্কার পাওয়া সেই সত্যকেই প্রতিষ্ঠা করে।

কিষাণ ক্রেটিড কার্ড, কৃষি বিমা, কৃষি বাজার ইত্যাদি চালু করে রাজ্যের কৃষকদের জন্য অনেক উন্নয়নমুখী কর্মপন্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার। এর মধ্যেও সরকার কৃষকদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। নোটবন্দির সময় কৃষকদের সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে কৃষি ঋণ পেতে অসুবিধে হলে রাজ্য সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। চাষীদের কাছ থেকে ধান কেনার ক্ষেত্রেও তৎপরতা দেখাচ্ছে রাজ্য সরকার। আগামী নভেম্বর মাসের গোড়াতেই ধান কোেনার জন্যই অর্থ দফতর ৪১০০ কোটি টাকা মঞ্জর করেছে। আবার এই নভেম্বর মাসের মধ্যেই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলায় কৃষকদের মধ্যে আর্থিক অনুদানের চেক বিলি করার কাজ সম্পূর্ণ করতে চায় রাজ্য সরকার। এই চেক দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোতভাবে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে চায় রাজ্য সরকার। কন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা ইতিমধ্যেই তাদের জমির পরিমাপ জানিয়ে ও ক্ষয়ক্ষতির হিসেব দিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতের কাছে আবেদনপত্র জমা দিতে হয়। সেই আবেদনপত্র বিডিও অফিসে পাঠানোর পর রাজ্য কৃষি দফতরের আধিকারিকরা সরিজমিনে গিয়ে আবেদনের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখেন। এরপর তাদের দেওয়া রিপোর্টের ভিত্তিতে কৃষি দফতর কৃষকদের জন্য বরাদ্দ মঞ্জুর করেন। এইভাবে ত্রিস্তরী ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকদের আর্থিক অনুদান মঞ্জুর করার ফলে অনিয়ম হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কম হয়। বাম আমলে কৃষকদের ঋণ বা আর্থিক অনুদান দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রায়ই নিরপেক্ষতার অভাব নিয়ে অভিযোগ উঠত। তাছাড়া সরকারের কাছ থেকেই আর্থিক সাহায্য পাওয়ায় গ্রামে মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার রেওয়াজ অনেকটাই কমে গিয়েছে। ফড়েদের রাজত্বও নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। রাজ্যে কৃষকরা এখন অর্থনৈতিকভাবে অনেকটা স্বাবলম্বী রাখবে। কেন্দ্রীয় অনুদান না মিললেও কন্যা পরবর্তী পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের আর্থিক বরাদ্দ সরকারকে ইতিবাচক ফলই দেবে বলে মনে করা হচ্ছে ।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

If You have any Questions or Query You caan freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW

আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন ।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- If You have any Questions or Query You can freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন । #Don’t forget to share this post with your friends on social media

No comments:

Post a Comment

thanks for the comment

READ ALSO