বিশ্ববাংলায় বিশ্বজয় ইংল্যান্ডের দাপটে উড়েগেল স্পেন । - TBNEWS

Breaking

TBNEWS

explore the world news

Post Top Ad

READ ALSO

                                                             

Sunday, 29 October 2017

বিশ্ববাংলায় বিশ্বজয় ইংল্যান্ডের দাপটে উড়েগেল স্পেন ।

photo credit-INT
বিশ্ববাংলায় বিশ্বজয় ইংল্যান্ডের দাপটে উড়েগেল স্পেন ।{www.techxpertbangla.com}


মায়াবী রাতে কলকাতা একটা দারুণ ফুটবল খেলা উপভোগ করল। এই খেলা দীর্ঘদিন ছবির মতন সবার হৃদয়ে খেলা করবে। কলকাতা যে ফুটবলের শহর তা প্রমাণ করে দিল। ইংল্যান্ডের জয়ের আনন্দে কোচকে নিয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায় ফুটবলাররা। পিছিয়ে থেকে ইংল্যান্ড সতেরো বছর বয়সী বিশ্বকাপ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন হবে, এটা যেন ভাবনার আকাশে কখনই উকি দেয়নি। কিন্তু করে প্রমাণ করে দিল বিশ্বফুটবলে ব্রিটিশরাজ এখনও অব্যাহত। ইংল্যান্ড ৫-২ গোলের ব্যবধানে স্পেনকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব দেখালো। তাই যখন ভারতীয় ফুটবলের অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী ট্রফিটা নিয়ে মাঠে প্রবেশ করছিলেন তখন দূর থেকে ইংল্যান্ডের ফুটবলাররা উড়ন্ত চুম্বন ছুড়ে দিচ্ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ও ফিফার প্রেসিডেন্ট তখন হাত নেড়ে সবাইকে শুভেচ্ছাবার্তা পেঁৗছে বিশ্ববাংলায় বিশ্বকাপ আয়োজনে, যা সারা দুনিয়ায় এক স্বপ্নের ফুটবল দেখলো। একেই বলে বিশ্বকাপ ফাইনাল। হােক না সতেরো বছর বয়সী বিশ্বকাপ ফুটবল। সারা গ্যালারি উত্তাল। স্পেনের ছন্দময় ফুটবলকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য হঠাৎ যেন মুখর


হয়ে উঠল। গ্যালারিতে স্পেন আর স্পেন। ইংল্যান্ডের গাজনকে থমকে দেওয়ার স্পেনের রণকৌশলকে অনুপ্রাণিত করতে থাকেন দর্শকরা। কলকাতা রাতারাতি স্পেনের সমর্থক হয়ে যায়। কলকাতার হৃদয়ে স্পেন কথা বলে যায়। খেলার শুরু থেকেই মায়াবী স্পেনের সঙ্গে ব্রিটিশ সিংহের লড়াই দ্রুত লয়ে শুরু হয়। সেন্টার হতেই ইংল্যান্ড হাডসন, গিবস আর ব্রেস্টারদের ত্রিফলা আক্রমণকে রুখে দেন স্পেনের রক্ষণভাগের ফুটবলাররা। স্পেনের ব্যারিকেড ভেঙে ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগের ফুটবলাররা গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেননি। পাল্টা আক্রমণে স্পেনের ছন্দময় ফুটবল সবার নজর কেড়ে নেয়। নিজেদের মধ্যে বল দেওয়া নেওয়া করে স্পেনের গোমেজ, গিলবার্ট আর রুইজ ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগকে ফলাফল করে দেন। ইংল্যান্ডের দুর্গে ফাটল ধরে। রক্ষণভাগ থেকে উঠে আসা মিরান্ডা বল বাড়িয়ে দেন। গিলবার্টকে। ঠিকানা মাপা সেন্টার করেন অসংরক্ষিত জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা গোমেজকে। গোমেজ দুরন্ত শটে ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক অ্যান্ডারসনকে বোকা বানিয়ে গোল করেন। স্পেন এক গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরই আরও উজ্জীবিত ফুটবল খেলতে থাকে। নিখুঁত গ্রাউন্ড পাসের মধ্যে আক্রমণের ধারা অন্য মাত্রায় নিয়ে যায় স্পেন। স্পেনের ঢেউ খেলানো আক্রমণে আবার ইংল্যান্ড
শিবিরে বিপদ নেমে আসে। তিরিশ মিনিটের মাথায়
আবার স্পেন গোল পেয়ে যায়। এবারেরও গোলদাতা সেই গোমেজ। গোমেজের খেলা দেখে মনে হচ্ছিল, তিনি যেন গোলের খিদোতে ক্ষুধার্তা ছিলেন। টোরেসের বাড়ানাে কল অপূর্ব প্লেসিংয়ে নজরকাড়া গোমেজের গোল।

দুই গোলে পিছিয়ে থেকে ইংল্যান্ড গতি বাড়িয়ে খেলার বিয়াল্লিশ মিনিটের মাথায় ইংল্যান্ডের হাডসনের শট বারে প্রতিহত হয়। এবারে ইংল্যান্ডের করে। চুয়াল্লিশ মিনিটে হাডসনের সেন্টারে ব্রেস্টার গোল করে খেলার ব্যবধান কমান (২-১)। বিরতির পর ইংল্যান্ড শুরু থেকেই দাপটের সঙ্গে আক্রমণের ঝড় তুলতে থাকে। কোচ কুপার আক্রমণে খেলোয়াড় বাড়িয়ে স্পেনের শিবিরে চাপ সৃষ্টি করতে নির্দেশ দেন। এই আক্রমণের ফলে স্পেনের রক্ষণভাগের ফুটবলাররা তাদের নিজেদের খেলা হারিয়ে ফেলে। ইংল্যান্ডের আক্রমণের ঢেউ আছড়ে পড়তে থাকে। খেলার আটান্না মিনিটে ইংল্যান্ডের গর্জনে আবারও স্পেনের দুর্গ ভেঙে পড়ে। ব্রেস্টার থেকে হাডসন। হাডসনের পা ঘুরে বল চলে যায় গিবসের কাছে। গিবস গোল করে খেলায় সমতা ফিরিয়ে আনেন (২-২)।

গিবস সমতা ফেরানোর পর গোটা ইংল্যান্ড দল যেন প্রাণশক্তি ফিরে পায়। ইংল্যান্ডের হাডসন যেন ভয়াবহ হয়ে ওঠেন। হাডসনের ধারালো অস্ত্রের কাছে স্পেন যেন মুখ থুবড়ে পড়তে থাকে। সম্মিলিত আক্রমণ থেকে হাডসন কল বাড়িয়ে দেন ফোডেনকে। ফোডেনের চোখ ধাধানো শটে স্পেনের গোলরক্ষক পরাস্ত হন। ফোডেনের গোল করার পরেই দর্শকদের কাছে ছুটে গিয়ে তিনি বুকে হাত দিয়ে বলেন আমি কলকাতার জন্যে এই গোলটি উৎসর্গ করলাম। ইংল্যান্ডের গর্জনে স্পেন যেন থমকে দাঁড়ায়। দিশেহারা হয়ে যায় স্পেনের রক্ষণ ভাগের ফুটবলাররা। ফ্রি কিক থেকে বল পেয়ে গিয়েছিলেন পানজোর হেড। স্পেনের গোলরক্ষক ফিস করলে সেইবিল পেয়ে যান মার্কগুইজি। চুরাশি মিনিটে ইংল্যান্ড ৪-২ গোলে এগিয়ে যায়। একা হাডসন স্পেনকে ছন্নছাড়া করে দিলেন। উনািনবুই মিনিটে একক কৃতিত্বে হাডসনের গোলে ইংল্যান্ড গোলের ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় (৫-২)। হাডসম গোলৱ করার পরেই সতীর্থদের নিয়ে আনন্দে নাচতে থাকেন গ্যালারির সামনে গিয়ে। খেলা শুরু হতেই স্পেনের খেলোয়াড়রা কিছুটা মাথা গরম করে খেলতে থাকে। তাই রেফারিকে মাঝে মধ্যেই দুই দলের ফুটবলারদের শান্ত করতে দেখা যায়। খেলা শেষ হতেই প্রমাণ করে দিল বিশ্ব ফুটবলের আসরে দাপট কাকে বলে। ইংল্যান্ডের এই জয়ে কলকাতার দর্শকরা আনন্দে উদ্বেল ।


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

If You have any Questions or Query You caan freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW

আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন ।


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------



---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- If You have any Questions or Query You can freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন । #Don’t forget to share this post with your friends on social media

No comments:

Post a Comment

thanks for the comment

READ ALSO