মানসিক স্বাস্থ্য । - TBNEWS

Breaking

TBNEWS

explore the world news

Post Top Ad

READ ALSO

                                                             

Thursday, 19 October 2017

মানসিক স্বাস্থ্য ।


ডা. প্রকাশ মল্লিক

'মানসিক স্বাস্থ্য’ কথাটি আমাদের সকলের সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কিন্তু অনেকেরই সেকথা অজনা। কেউ কেউ আবার এই মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কিছু ভুল ধারণা পোষণ করে থাকেন। কিন্তু দুর্ভাগের বিষয় ত্রুটিপূর্ণ মানসিক স্বাস্থ্য একটির পর একটি ঘূণ্য অপরাধের জন্ম নেয়। মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে বলতে গেলে প্রথমেই বলা দরকার মানসিক স্বাস্থ্য কী। যে শক্তি বা প্রক্রিয়া মানুষকে তার শারীরিক, মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক পারিপাশ্বিকতার সঙ্গে বহু সামঞ্জস্য বিধান করতে সাহায্য করে তাকে বলে মানসিক স্বাস্থ্য। এই মানসিক স্বাস্থ্যের লক্ষণ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে মনোবিদগণ বিভিন্ন ধারণা পোষণ করেছেন। একজন সুস্থ মানসিক স্বাস্থ্যের অধিকারী ব্যক্তির দৈহিক গঠনে স্বাভাবিক, মানসিকভাবে ভারসাম্যযুক্ত, বৌদ্ধিক কাজে অংশগ্রহণে সক্ষম, প্রক্ষোভিক দিক থেকে পরিণত ও সামাজিক দিক থেকে দায়িত্ব সচেতন হয়। ওই ব্যক্তিটি আত্মানির্ভরশীল, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন, আত্মসচেতন ও দৈনিক আচরণগত সুঅভ্যাসের অধিকারী হন। তিনি হত উদ্যমী, পরিশ্রমী ও যুক্তিবাদী। শান্ত, ধৈর্যশীলতার সঙ্গে যে কোন পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার মতো ক্ষমতা ও গঠনমূলক কাজে অংশগ্রহণের ইচ্ছা তার থাকে। সুন্দর মানসিক স্বাস্থ্যের অধিকারী ব্যক্তি শুধু নিজে সফল হন না, চারপাশের লোকজনকেও সুন্দরভাবে সাফল্যের পথে চালিত করেন। এই মানসিক স্বাস্থ্যের অধিকারী ব্যক্তি শুধু নিজে সফল হন না, চারপাশের লোকজনকেও সুন্দরভাবে সাফল্যের পথে চালিত করেন। এই মানসিক স্বাস্থ্য যখন বিঘ্নিত হয় তখন দেশ ও দশের সমস্যার সূত্রপাত হয়। তাই এর কারণ ও নিরাময়গুলি যথার্থভাবে জানা দরকার। জন্মগত যদি জিনের গঠনগত ক্ৰমি থাকে। মস্তিষ্কের আঘাতজনিত কারণ বা কোন স্নায়বিক অসুখ। কোন ধরনের দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা। অনিদ্রা, অবসাদ এবং মদ বা ড্রাকে আসক্তি। পারিবারিক অশান্তি ও বৈষম্যমূলক আচরণ। অবাস্তব চাহিদা চাপিয়ে দেওয়া। কর্মক্ষেত্রে বা স্কুলের পরিবেশে অস্বাচ্ছন্দ। খারাপ সঙ্গ, অতিরিক্ত ও বিকৃত যৌনতা। উগ্ৰপন্থী কার্যকলাপ | আত্মমর্যাদা ও আত্মবিশ্বাসের অভাব, টেনশন। নিরাপত্তাহীনতা, একাকিত্ব। নিকটজনের দীর্ঘ অসুস্থতা ও মৃত্যু। বেকারত্ব | এই উপরোক্ত কারণগুলি ও তার কুফল থেকে সহজেই বেরিয়ে আসার জন্য প্রয়োজন মানুষের সজাগ দৃষ্টিভঙ্গি তার সাথে গাইডেন্স ও কাউন্সেলিং। একজন মানুষ বা একটি শিশু যেখানে থাকে বা যেখান থেকে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে সেই পরিবেশকেও হতে হবে সুস্থ। যথাযথ ভালোবাসার মধ্যে বড় হয়। সেখানে অভিভাবকেরা হবেন তাদের আদর্শ। তারা অহেতুক বোঝা চাপিয়ে দেবেন না বাচ্চাদের ওপর। বাড়িতে থাকবে নিরাপত্তা, যেখান থেকে জন্মাবে আত্মবিশ্বাস। তবে অতিরিক্ত শাসন এবং আদর বর্জন করা উচিত। শিক্ষিকাগণ হবেন তাদের জীবনে রোল মডেল। ছোট থেকেই যেন সমাজকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ করানো হয়, তারা যেন বিনোদনের সুযোগ পায় | সবশেষে বলি, মানসিক স্বাস্থ্য তৈরিতে এবং রক্ষার সেতুবন্ধন হয়। কাউন্সেলিং-এর মাধ্যমে। মানসিক সমস্যা প্রত্যেকেরই থাকে, তাই তাকে গৃহে এবং বাইরে কাউন্সেলিং-এর দরকার প্রতিটি মানুষের।
twitter- ---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- If You have any Questions or Query You can freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন । #Don’t forget to share this post with your friends on social media

No comments:

Post a Comment

thanks for the comment

READ ALSO