আধার নিয়ে সুপ্রিমকোর্টে সমালোচিত মমতা সরকার - TBNEWS

Breaking

TBNEWS

explore the world news

Post Top Ad

READ ALSO

                                                             

Tuesday, 31 October 2017

আধার নিয়ে সুপ্রিমকোর্টে সমালোচিত মমতা সরকার

আধার নিয়ে সুপ্রিমকোর্টে সমালোচিত মমতা সরকার {www.techxpertbangla.com}
photo credit-INT
৩০ অক্টোবর- আধারকর্ড নিয়ে সুপ্রিমকোর্টের সমালোচনা শুনতে হল পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে। সুপ্রিমকোর্টের মতে, আধার কার্ড নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কার্যত আইনটাকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ফেলেছে। সংবিধানগতভাবে কোনও রাজ্য সরকার। এভাবে কোনও আইনকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে না। বয়ান পাল্টে ফের নতুন করে আবেদন করার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে চার সপ্তাহের সময় দিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট। আদালতের মত মেনেই তা করা হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্য সরকারের আইনজীবীরা।
অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এদিন নবান্নে তার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে জানান, ‘আধার নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট যে রায় দিয়েছে তাকে সন্মান জানাই। আমরা কোর্টের রায় মেনে নিয়েছি। শীর্ষ আদালত আমাদের পিটিশন খারিজ করেনি। ইতিমধ্যে একজন এই বিষয়ে পিটিশন ফাইল করেছেন।” আধার কার্ড নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরোধ নতুন নয়। কেন্দ্রীয় সরকার চাইছে। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে আধার কার্ড বাধ্যতামূলক। ফোন থেকে জনধন, আয়কর থেকে ভাতা, এমনকী মিড-ডে মিলের সুবিধা সবেতেই আধার নম্বর জোড়া বাধ্যমূলক করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার। কিছুদিন আগে একটি খবরে জানা যায়, আধারকার্ড না থাকার জন্য ঝাড়খণ্ডের একটি নাবালিকাকে দেওয়া হয়নি রেশন।
খাবারের অভাবে শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে শুরু করে। একসময় মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে ওই নাবালিক। এই ঘটনার জেরে ঝাড়খণ্ড সরকার আগের অবস্থান থেকে সরে আসে। কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, মোবাইল ফোনের সঙ্গে আধার লিঙ্ক বাধ্যতামূলক। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিমকোর্টের মামলা করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি এ কে সিক্রি ও বিচারপতি অশোক ভুষণকে নিয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ মন্তব্য, "কী করে এক রাজ্য সরকার। এভাবে একটি আইনের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিমকোর্টে মামলা করল যে আইনে সম্মতি রয়েছে খোদ সংসদের।”
কোনও রাজ্য সরকার সংসদে পাশ হওয়া একটি আইনকে এভাবে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে না, এমনই মত বেঞ্চের। বেঞ্চের আরও পর্যবেক্ষণ, এর পর কোনও বিধানসভা বা বিধানপরিষদে পাশ হওয়া আইনকেও চ্যালেঞ্জ জানানো হবে। গোটাটাই সংবিধান ও যুক্তরাষ্ট্ৰীয় শাসনব্যবস্থার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর নয়। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কী কেন্দ্রীয় আইনকে কোনওভাবে চ্যালেঞ্জ জানানো যায় না। বেঞ্চ বলেছে, কোনও ব্যক্তি বা অসরকারি সংগঠন চাইলেই চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে। পারে না। সরকার। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি ব্যক্তি হিসেবে চ্যালেঞ্জ জানান, তাহলে তা অবশ্যই গৃহীত হত। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিকুল।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

If You have any Questions or Query You caan freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW

আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন ।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- If You have any Questions or Query You can freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন । #Don’t forget to share this post with your friends on social media

No comments:

Post a Comment

thanks for the comment

READ ALSO