শরতেও গ্রীষ্মের গরম । - TBNEWS

Breaking

TBNEWS

explore the world news

Post Top Ad

READ ALSO

                                                             

Wednesday, 18 October 2017

শরতেও গ্রীষ্মের গরম ।



আশ্বিনের বিদায়কালেও গরমের দাপট। প্রতিদিন তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। যা আবহাওয়াবিদদের কাছে কিছুটা বিস্ময়। বাতাসে জলীয় বাষ্প। যার ফলে প্রচণ্ড গুমোটা। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের হিসেবে বর্ষা বিদায় নেওয়ার কথা ৮ অক্টোবর। তা তো হলই না, উল্টে ব্লগ ওভারে বর্ষা ভালই ব্যাট করে চলেছে। সম্প্রতি গভীর নিম্নচাপের ফলে সারা রাজ্যজুড়ে যে বৃষ্টিপাত হল তা আরও কিছুদিন চলত, যদি নিম্নচাপটি কিছুটা দুর্বল হয়ে বিহারের দিকে মুখ না ঘোরাত। অন্যবার এই সময় তাপমাত্রা আরও কমে যায়- উভুরে হাওয়াও একটু একটু করে বইতে শুরু করে যা শীতের আগমনের লক্ষণ। এবার এখনও গৃহস্থের বাড়িতে ফুলস্পিড়ে পাখা না চালালে শরীর জুড়োয় না- এসির চলাও বন্ধ হয়নি। শরৎ এলেও তাকে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। সকালের দিকে শরতের নীল আকাশ দেখা দিলেও, দুপুরে প্রখর রোদ, তারপর মেঘলা আকাশ। ইতিমধ্যেই আগামী বৃহস্পতিবার কালীপুজো ও দীপাবলিতে বৃষ্টির আভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। এখনও কবেতক বর্ষা বিদায় নেবে তার ইঙ্গিত মিলছে না। বর্ষার আগমনও আজকাল সময়ে হয় না, তার বিদায়ও কখন হবে তাও অনিশ্চিত। বর্ষা বঙ্গে আসার কথা ৮ জুন। আসে। অনেক দেরি করে। তাই তার আসা আর যাওয়া কোনওটাই ঠিক নেই। এবার বর্ষা ভালই হল। দিল্লির মৌসম ভবন অবশ্য এবার ভাল বর্ষার ইঙ্গিত দিয়েছিল গ্রীষ্মের শুরুতেই। শস্যের পক্ষে তা ভাল। রাজ্য কৃষি দফতরের একজন আধিকারিক জানালেন, খরিফের উৎপাদন ভাল, কিন্তু এবারের ভয়াবহ বন্যায় দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় খরিফ উৎপাদন মার খেয়েছে। সুতরাং খরিফে বুনানির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক থাকলেও, কন্যার তাণ্ডবের ফলে উৎপাদন কিছুটা কমে যাবে। কৃষি দফতর। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবার রবিশস্যের উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া হবে। তার জন্য এখন থেকেই না হত, তাহলে খরিফের উৎপাদন খুবই ভাল হত। গরমের দাপট কমছে না বলে সারা রাজ্যে বিদ্যুতের চাহিদাও তেমন হ্রাস পায়নি। অন্যবার এই সময় তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদাও পড়ে যায়। রাজ্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগম সুত্রে জানা যায়, এখনও উৎপাদন কেন্দ্রগুলির সবগুলি ইউনিট চালানো হচ্ছে চাহিদা মেটাতে। এবারের গ্রীষ্মে রাজ্যে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে উঠেছিল ৫০০০ মেগাওয়াটের ওপর। এখন তার চাইতে সামান্য একটু কম উৎপাদন হচ্ছে। এখন যেটা উদ্বেগের তা হল আবার যদি একটা নিম্নচাপের ফলে বৃষ্টি শুরু হয়, তাহলে দীপাবলির আনন্দ স্নান হয়ে যাবে। আকাশের মুখ দেখে বৃষ্টি যে আবার নামবে না, তা বলা যায় না। এদিকে বারাসতে সর্বজনীন কালীপুজো উদ্যোক্তাদের আবহাওয়া নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। বৃষ্টি হলে সব আনন্দ নষ্ট হবে। প্রতি বছরই এখানে অনেক ধুমধাম করে কালীপুজো অনুষ্ঠিত হয়। প্যান্ডেল ও থিমের বৈচিত্র্য দেখার মতো। অনেকগুলি বড় সর্বজনীন কালীপুজো দর্শনার্থীদের টানে। দূরদূরান্ত থেকে বারাসতের কালীপুজো দেখতে মানুষ ভিড় জমায়। আবহাওয়া ভাল থাকলে এবারও বারাসতের পুজোয় বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগম হবে। কালীপুজো ও দীপাবলি যাদে শান্তিপূর্ণভাবে কাটে তার জন্য রাজ্য প্রশাসন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে।
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- If You have any Questions or Query You can freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন । #Don’t forget to share this post with your friends on social media

No comments:

Post a Comment

thanks for the comment

READ ALSO