সোমরাজি । - TBNEWS

Breaking

TBNEWS

explore the world news

Post Top Ad

READ ALSO

                                                             

Thursday, 19 October 2017

সোমরাজি ।

সোমরাজি (Vermonia anthelmintica) অবলগুজ, সুপর্ণিকা, শশিলেখা, সোমা, পুতিফলী, সোমবল্লী, কালমোর্থী ও কুষ্ঠায়ী— এইগুলো সোমরাজির নামভেদ। হাকুচ বীজ এর ডাকনাম। এটি বীরুৎ শ্রেণিজাত একটি ভেষজ উদ্ভিদ। প্রধানত এর বীজ ওষুধ হিসাবে প্রয়োগ করা श्। সোমরাজি বায়ু ও কফনাশক ভেষজ সম্পদ। এটি দু'আনা = দেড়গ্রাম প্রতিমাত্রা ব্যবহার্য। সোমরাজি চর্মরোগ (কর্কশ ত্বক, চুলকানি, শ্বেতী) রক্তপিত্ত, শ্বাসরোগ, জ্বর, প্রদাহ, কৃমি, কাশি, শোথ, কমলা, আমাদোষ, কেশ রোগাদি প্রতিরকার্থে এইভাবে প্রযোজ্য। চর্মরোগ : চামড়ার কর্কশতা ও চুলকানিতে সোমব্রাজি বীজচুর্ণ সেবন ও ওই বীজ ভিজানাে জল স্নান করার একঘণ্টা আগে মাখতে হয়। শ্বেতী রোগ সারানোর কাজে সোমরাজি সেবন ও চার ভাগ সোমরাজি চুর্ণ, হরিতকি একভাগ গোমূত্রে পেষাই করে নিয়মিতভাবে শ্বেতী আক্রান্ত স্থানে স্নান করার একঘণ্টা আগে লাগাতে হয়। রক্তপিত্ত : সোমরাজি বীজ ভিজানো (বারো ঘণ্টা যাবত) জল সকাল-বিকাল খালিপেটে সেবন করলে রক্তপিত্ত নাশ श्। শ্বাসরোগ : আমরুল শাকের রসের (ফোটানো) সঙ্গে হাল্কা গরম অবস্থায় সোমরাজি বীজ চুৰ্ণ বা বড়ি সেবন করলে শ্বাসরোগ উপশম হয়। জ্বর : তুলসী পাতার ফোটানো রস বা কাথের সঙ্গে সোমরাজি বীজচুর্ণ বা বড়ি সেবন করলে সাধারণ জ্বরহর ভেষজ হিসাবে কাজ করে। একাজে তুলসীর পরিবর্তে শিউলি বা কদম পাতার রস বা ক্লাথ অথবা নিমছালের রস বা কাথের প্রয়োগ প্রচলিত। প্রমোেহ ; বাবলা গাছের ছাল ভিজানো (বারো ঘণ্টা যাবত)
জল বা কাথের সঙ্গে সোমব্রাজি বীজ চুৰ্ণ বা বড়ি সেবন করলে সাধারণ প্রমোহ সমস্যার সমাধান হয়। এক্ষেত্রে বাবলা ছালের পরিমাণ হওয়া দরকার প্রতিমাত্রা = একতোলা = বারো গ্রাম | কৃমি ; কৃমিনাশার্থে সোমরাজি বীজের সঙ্গে সমপরিমাণ বিড়ঙ্গ বা পলাশ বীজ চুর্ণ মিশিয়ে সকালবেলা খালিপেটে সেবন করলে খুব ভাল ফললাভ হয়। এই যোগটি আমাদোষ নাশেও যথেষ্ট উপযোগী। কাশি ; তালগুড় বা তালারসের সঙ্গে সোমরাজি বীজ চূর্ণ বা বড়ি সেবনে সাধারণ কাশি নিবারণ হয়। ওষুধ সেবন করার পর হালকা গরম নুনজাল পান করা বিধেয়। শোথ ; হাল্কা গরম জলের সঙ্গে সোমরাজি বীজ চুৰ্ণ বা বড়ি সেকন এবং সোমরাজি গাছের পঞ্চাঙ্গ বাটা প্রলেপ লাগালে শোেথ নিরাময় হয়। পুনর্নবা শাক রসুন সহযোগে পথ্য ভেষজ হিসাবে দুপুরের আহারের সঙ্গে প্রথমার্ধে সেবন করলে শোথ নিবারণে এক উপযোগী সহায়ক ভেষজরূপে | কামলা : সোমব্রাজি বীজ ভিজানো সিদ্ধ জল বা ক্কাথের সঙ্গে প্রতিমাত্রা তিনটি গোলমরিচ চূর্ণ মিশিয়ে সম্পূর্ণ ঠান্ডা অবস্থায় সকাল-বিকাল খালিপেটে অন্তত সাতদিন যাবত সেবনে কামলা রোগ উপশম হয়। সোমব্রাজি গাছের পঞ্চাঙ্গের রস বা কাথাও অনুরূপভাবে সেবন করলে এক্ষেত্রে ভাল ফল পাওয়া যায় | কেশ রোগ : সোমরাজি বীজ বা ওই গাছের পঞ্চাঙ্গের রস বা ক্লাথ নারকেল অথবা তিল তেলের সঙ্গে শতকরা পাঁচশ ও পাঁচাত্তর ভাগ মিশ্রণ হাল্কা আঁচে ফুটিয়ে, চুলের গোড়ায় আঙুলের ডগার সাহাযে ঘসে ঘসে ব্যবহার করতে হয়। এটি প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট দুদিন নিয়মিতভাবে ব্যবহার করলে
সাধারণ কেশরোগ নাশ হয়।
twitter- ---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- If You have any Questions or Query You can freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন । #Don’t forget to share this post with your friends on social media

No comments:

Post a Comment

thanks for the comment

READ ALSO