ব্রাজিল - জার্মানি যুদ্ধ দেখতে এখন থেকেই উত্তাল কলকাতা - TBNEWS

Breaking

TBNEWS

explore the world news

Post Top Ad

READ ALSO

                                                             

Saturday, 21 October 2017

ব্রাজিল - জার্মানি যুদ্ধ দেখতে এখন থেকেই উত্তাল কলকাতা


আর একদিন বাদেই সেই শ্বাসরুদ্ধ ম্যাচ। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গণে সম্মুখ সমরে সারা দুনিয়া দুই দুর্ধর্ষ ফুটবল দল জার্মানি ও ব্রাজিল। হােক না। সতেরো বছর বয়সী যুববিশ্বকাপ ফুটবল। বিশ্বকাপ বলে কথা। সেখানে কোনও আপোসের জায়গা নেই। ব্রাজিলের ফুটবলারদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ সিনিয়র বিশ্বকাপ ফুটবলে হারের বদলা নেওয়া। আর জার্মানির কাছে স্পষ্ট জবাব দেওয়ার লড়াই। তাই জমজমাট সবদিক দিয়েই রবিবারের যুববিশ্বকাপের শেষ আটের ফুটবল যুদ্ধ। সেই যুদ্ধে অর্থাৎ দুই কোচ যুদ্ধজয়ের ছক তৈরি করে ফেলেছেন। তাদের শরীরী ভাষায় স্পষ্ট বোঝা গিয়েছে এই ম্যাচ ডু অর ডাই। তাই শেষ সময় পর্যন্ত খেলার ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে এখন দুটাে ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। ফুটবল প্রেমিকদের কাছে। একটা জোট সমর্থনের ফানুস। উড়িয়ে দেবে ব্রাজিলের জন্যে। আর অন্য জোটটা জার্মানিদের সমর্থনে গ্যালারি উত্তাল করে তুলবে। যুববিশ্বকাপের এই ম্যাচটার রঙ একেবারে আলাদা। তাই সারাদিন টিকিটের জন্যে হাহাকার। বৃষ্টিকেও হার মানিয়ে দিয়েছে। আইএফএ-র অফিস থেকে আরও অন্য কোথাও টিকিট পাওয়া যায় কী না সেই সন্ধানে ছোটাছুটি করেছেন কলকাতার ফুটবল

প্রেমিকরা। আর এই উন্মাদনার জন্যে নবআঙ্গিকে উপচে পড়ছে। ভারতের অন্য ভেনুতে যে খেলাগুলি হচ্ছে সেই খেলায় কলকাতাকে কেউই টেক্কা দিতে পারেনি। এটাই কলকাতার ফুটবল ব্রাজিল ও জার্মানিকে সমর্থন জানানোর জন্যে হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছে। ভাবতেও অবাক লাগে এই জন জোয়ার আর অন্য কোথাও দেখতে পাওয়া যায়। না। এ তো ফুটবলের আবেগ। সেই আবেগের টানে রাতের ম্যাচেও ভিড় সবাইকে ভাবাচ্ছে। আর ফুটবলাররাও সেই উৎসাহে সেরা ফর্মে খেলবার মানসিকতাকে উচ্চ মার্গে পৌছে নিয়ে যেতে পারছেন। জার্মানি দল কয়েকদিন আগে পৌছে গেলেও জার্মানির কোচ ত্রি-শ্চিয়ান উক প্রথম দিনে কলকাতার আবহাওয়া নিয়ে বেশ কিছু ভাবনায় পড়েছিলেন। আসলে এখানকার গরমের সঙ্গে তারা নিজেদের মিলিয়ে নিতে পারছিলেন না। তাই একটা চাপা ভাবনা বারবার ভাবিয়ে রেখেছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবারের রাত থেকে বৃষ্টি শুরু হওয়াতে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন কোচ। জার্মানের আবহাওয়ার সঙ্গে এখানকার পরিবেশের বিস্তুর ফারাক থাকায় অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়েছিল। কিন্তু কোচের কাছে বড় ব্যাপার ছিল মাঠ অর্থাৎ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গণের মাঠটা কিভাবে ব্যবহার করা যাবে? মাঠ দেখার পরে স্বাভাবিকভাবে কোচের মুখে হাসি দেখতে পাওয়া গিয়েছে। আর বিপক্ষ দলের সম্পর্কে নতুন করে কোনও কিছু বলতে রাজি নন। যুদ্ধটাতো মাঠে হবে। সেই রণনীতি কি হবে। সেটা প্রকাশ পাবে লড়াই করবার সময়। আগাম যদি সেই পরিকল্পনা প্রকাশ করে দেওয়া যায়। তাহলে নিজস্বতা কি থাকলো। জার্মান কোচের মতই ব্রাজিলের কোচও চুপচাপ বসে নেই। কলকাতার বৃষ্টি দেখে তিনিও অবাক হয়েছেন। আর এই বৃষ্টি ফুটবল খেলাকে কোনওভাবেই পিছিয়ে দিতে পারবে না। ফুটবল মাঠে বৃষ্টি অনেক সময় অন্য কথা বলে যায়। ব্রাজিল দলের প্রতি কলকাতার ফুটবলপ্রেমিকদের আবেগের কথা আগেও শুনেছেন। আর এবারে তা অনুভব করছেন। ওদিক ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এটাও একটা ভালো দিক। ফুটবলের জন্যে এখানকার মানুষ যে উন্মাদনা প্রকাশ করে থাকে তা সারা পৃথিবীতে আলাদা খেলার তাগিদ থাকবে ফুটবলারদের। ব্রাজিল বা জার্মানি কোনও ফুটবলারই এই ম্যাচটিাকে সহজভাবে নিচ্ছেন না। যার ফলে উন্মাদনার ঢেউ এমনভাবে আছড়ে পড়বে সারা স্টেডিয়ামে। সেটাও কিন্তু নতুন দৃশ্যপট তৈরি হবে। ফাইনাল খেলার আগেই ব্রাজিল ও জার্মানির ম্যাচকেই এবারের যুববিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ বলেই আখ্যা দিতে চান কলকাতার ফুটবলপ্রেমিকরা।

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- If You have any Questions or Query You can freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন । #Don’t forget to share this post with your friends on social media

No comments:

Post a Comment

thanks for the comment

READ ALSO