সঠিক খাদ্যের ঘাটতিতে রেটিনা নষ্ট হয়ে যায় - TBNEWS

Breaking

TBNEWS

explore the world news

Post Top Ad

READ ALSO

                                                             

Thursday, 26 October 2017

সঠিক খাদ্যের ঘাটতিতে রেটিনা নষ্ট হয়ে যায়

সঠিক খাদ্যের ঘাটতিতে রেটিনা নষ্ট হয়ে যায়{www.techxpertbangla.com}
photo credit-INT


চোখ মানবদেহের অন্যতম অঙ্গ। মনের যত আশা চোখের পলকে প্রকাশিত হয় বিদ্যুৎ বেগে। চােখের রোগব্যাধি তাই মানুষকে কেবল শারীরিক কষ্টই দেয় না। মানসিক বিড়ম্বনাও সৃষ্টি করে। চােক ঠিক রাখতে হলে সঠিক ও পুষ্টিকর খাদ্যের প্রয়োজন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীদের ভিটামিনের ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে চোখের জল শুকিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, এবং পরবর্তীতে চোখে ঘা হয়। একে বলে জেরফথ্যালমিয়া। উপযুক্ত খাদ্য নিয়মিত খেলে চোখের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কোন ধরনের খাদ্য উপাদান প্রয়োজন — ভিটামিন ‘এ’ হল চােখের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। এটি চোখের বিভিন্ন অংশের আবরণকে রক্ষা করে। এর অভাবে চােখ শুষ্ক হয়ে যায়। চোখে ঘা সৃষ্টি হয়। এবং পরবর্তীকালে চোখ নষ্ট হয়ে যায়। ভিটামিন ‘এ’ সঙ্গে ভিটামিন ‘সি’ এবং 'ই' এর প্রয়োজনীয়তা বহুলভাবে প্রমাণিত। এদের একসঙ্গে আন্টিঅক্সিডেন্ট বলা হয়। এসব ভিটামিন বয়সজনিত চোখের দৃষ্টিক্ষয় অনেকাংশে রোধ করে। প্রোটিন অথবা আমিষ জাতীয় খাদ্যের অভাবে চোখের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে চােখ জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চলে অনেক শিশুই ভিটামিনের অভাবজনিত কারণে অন্ধত্বের শিকার হয়। এছাড়াও ভিটামিন-এ’-র অভাবে চোখের সব থেকে সংবেদনশীল অংশ রেটিনা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে রাতকােনা এবং পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে অন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। নানাধরনের ফল, শাকসবজি, দুধ, ডিমের কুসুম, ছােট ধরনের মােঝ যতটা সম্ভব খাওয়া প্রয়োজন। পাতিলেবু। কমলালেবু অথবা মুসম্বি ইত্যাদি খেতে হবে। ফলে ভিটামিন-‘সি’-এর ঘাটতি হবে না। চোখের পক্ষে এটিও বিশেষ ভাবে কার্যকরী ।

ভিটামিনের অভাবে কী করণীয়। —
ভিটামিনের অভাবজনিত চোখের রোগ শিশুদের মধ্যে বেশিভাবে দেখা যায়। শিশুর জন্মের পর মায়ের দুধেই তার জন্য সর্বোত্তম খাদ্য। মায়ের বুকের দুধে প্রয়োজনীয় সব খাদ্য উপাদান থাকে। তাই যে সব মায়েরা শিশুকে প্রথম থেকেই বুকের দুধ খাওয়ানোর অভ্যাস করেন সেসব শিশুদের ভিটামিন এর অভাবজনিত অন্ধত্ব অনেক কম হয়। ছােটবেলা থেকেই শিশুকে সুষম খাদ্যে অভ্যস্ত করতে হবে। ছােট মাছ, পাকাকলা, শাকসবজিতে প্রচুর ভিটামিন থাকে। শরীরে যেন ভিটামিন -'এ' নিয়মিত খাওয়া প্রয়োজন। এতে অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা সম্ভব। সব থেকে উল্লেখ্য বিষয়, ভিটামিনের অভাবজনিত অন্ধত্ব শুধু সুষম খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। বেশি করে জল খেতে হবে। নিয়মিত ছোট মাছ, লেবু জাতীয় ফল, পাকা ফল খাওয়া একান্ত প্রয়োজন। মাসে অন্তত একদিন মাংস খাওয়া দরকার। দুধ নিয়মিত খেলে শারীরিক শক্তি বৃদ্ধির সঙ্গে চােখের রোগ মুক্তিও সম্ভব। তাই চােখের রোগ প্রতিরোধের জন্য সুষম খাদ্যই একমাত্র উপায়।


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

If You have any Questions or Query You caan freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW

আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন ।


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- If You have any Questions or Query You can freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন । #Don’t forget to share this post with your friends on social media

No comments:

Post a Comment

thanks for the comment

READ ALSO