গ্রামের স্কুলশিক্ষায় পরিকঠামোগত উন্নয়নে ভারতের গড় থেকে বর্তমান আমলেই যথেষ্ট বেশি পশ্চিমবঙ্গ - TBNEWS

Breaking

TBNEWS

explore the world news

Post Top Ad

READ ALSO

                                                             

Tuesday, 31 October 2017

গ্রামের স্কুলশিক্ষায় পরিকঠামোগত উন্নয়নে ভারতের গড় থেকে বর্তমান আমলেই যথেষ্ট বেশি পশ্চিমবঙ্গ

গ্রামের স্কুলশিক্ষায় পরিকঠামোগত উন্নয়নে ভারতের গড় থেকে বর্তমান আমলেই যথেষ্ট বেশি পশ্চিমবঙ্গ{www.techxpertbangla.com}
photo credit-INT
আইনস্টাইন স্কুলশিক্ষার আবশ্যকীয়তা সম্পর্কে বলেছিলেন, “শিক্ষা হল ভুলে যাওয়ার পরেও সেই অবশিষ্ট অংশ যা সে 37, C&Cs firifa" ("Education is what remains after One has forgotten everything he learned in school") অর্থাৎ বৈজ্ঞানিক আইনস্টাইনের মতে, স্কুলশিক্ষাই হল প্রকৃত শিক্ষা। কিন্তু প্রশ্ন হল, একজন ছাত্র স্কুল থেকে কতখানি গুণগত শিক্ষা পাচ্ছে ? স্কুলশিক্ষায় পরিবেশ ও পরিকাঠামোগত কতখানি উন্নতি ঘটেছে? এই 71-7 (6 ASER (Annual Status of Education Report < f("?:FF fra Caffa53 বার্ষিক হাল/অবস্থান)। সারা ভারতের ৩ থেকে ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত ভারতের গ্রামের স্কুলের ছাত্রীদের গুণগত শিক্ষার হাল এবং স্কুলের ২০০৫ সালে অদ্যাবধি পর্যন্ত প্রতি বছরের (একমাত্র ২০১৫ সাল ব্যতিরেকে) রিপোর্ট প্রকাশ করে আসছে। A SER। তার ২০১৬ সালের সমীক্ষায় সারা ভারতের সমস্ত রাজ্য থেকে ৫৮৯টি জেলা, ১৭,৪৭৩টি গ্রাম, ৩ লক্ষ ৫০ হাজারের বেশি পরিবার, প্রায় ৬ লক্ষ শিশু, প্রায় ১৬ হাজার স্কুল থেকে প্রাপ্ত সমীক্ষা রিপোর্ট ২০১৭ সালে ১৮ই জানুয়ারি প্রকাশ করেছে। বর্তমান নিবন্ধে স্কুলের কতগুলি পরিকাঠামােগত উন্নয়ন নিয়ে ২০১০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত সময়কালে সারা তুলে ধরা হল। (সারণিতে দ্রষ্টব্য)

স্কুলের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণে গত ৬ বছরে পশ্চিমবঙ্গের সাফল্যের হার ভারতের গড়ের থেকে দ্বিগুণেরও বেশি ; বামফ্রন্টের শেষ বছরে অর্থাৎ ২০১০ সালে সারা ভারতে যেখানে গ্রামের ৫১ শতাংশ স্কুলে বাউন্ডারি ওয়াল দেওয়া হয়েছিল, সেখানে পশ্চিমবঙ্গের গ্রামে মাত্র ৩৪.৫ শতাংশ স্কুলে (অর্থাৎ ৩ ভাগের মাত্র ১ ভাগ স্কুলে) বাউন্ডারি ওয়াল দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ ২০১০ সালে বেশি স্কুলে বাউন্ডারি ওয়াল দেওয়া হয়েছিল, সেখানে পশ্চিমবঙ্গে গ্রামে এর সাফল্য ছিল মাত্র এক-তৃতীয়াংশ স্কুলে। বর্তমান সরকারের আমলে ২০১৬ সালে অর্থাৎ ৬ বছরে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় তিন-পঞ্চমাংশ স্কুলে বাউন্ডারি ওয়ালের কাজ সুসম্পন্ন করা গেছে। অর্থাৎ বর্তমান সরকারের মাত্র ৬ বছরের সময়কালে পশ্চিমবঙ্গের গ্রামের অতিরিক্ত প্রায় ২৫ শতাংশ স্কুলে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের কাজ সুসম্পন্ন করা গেছে। সারা ভারতের গড়ে ২০১৬ সালে ৬০.৪ শতাংশ গ্রামের স্কুলে বাউন্ডারি ওয়াল দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ৬ বছরে (২০১০ থেকে ২০১৬) যেখানে সারাভারতের গড় অতিরিক্ত বৃদ্ধি প্রায় ১০ শতাংশ, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বৃদ্ধি প্রায় ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ দ্বিগুণেরও যথেষ্ট বেশি সাফল্য ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গে। এছাড়াও সারণি থেকে স্পষ্ট যে, ২০১০-এ ভারতের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের ব্যবধান যেখানে ছিল প্রায় ২৭ শতাংশ, ২০১৬-তে ভারতের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের ব্যবধান কমে এসেছে মাত্র ৩ শতাংশ।
স্কুলে পানীয় জলের ক্ষেত্রে ২০১০-এ ২০১৬-তে ভারতের গড়ের উপরে : বামফ্রন্টের শেষ বছরে (২০১০ সালে) সারা ভারতের ৭২.৭ শতাংশ স্কুলে পানীয় জলের ব্যবস্থা চালু হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গে ৬৭.২ শতাংশ স্কুলে পানীয় জলের সুবিধা চালু হয়েছিল। অর্থাৎ ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গের সাফল্য ভারতের গড়ের তুলনায় যথেষ্ট কম ছিল । কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সরকারের গত ৬ বছরে ২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের সাফল্য শুধু ভারতের গড়ের থেকে যথেষ্ট বেশি হারে বাড়েনি, ভারতের গড় থেকেও পানীয় জলের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের সাফল্য প্রায় ৫ শতাংশ বেশি। ২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৮০ শতাংশ স্কুলে যেখানে পানীয় জলের ব্যবস্থা করা গেছে, সেখানে ভারতে ৭৪ শতাংশ স্কুলে এই ব্যবস্থা কার্যকরী করা গেছে। পানীয় জলের দ্বিবিধ। প্রথমত, ২০১০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ৬ বছরে ভারতের গ্রামের স্কুলে পানীয় জলের সুবিধা অতিরিক্ত বেড়েছে ১.৪ শতাংশ। ওই ১২.২ শতাংশ। ভারতের থেকে পশ্চিমবঙ্গের বৃদ্ধির হার প্রায় ৯ গুণ বেশি। দ্বিতীয়ত, বামফ্রন্টের শেষ বছরে অর্থাৎ ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গের সাফল্য ভারতের অনেক নীচে ছিল। ২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের সাফল্য ভারতের গড়ের যথেষ্ট উপরে। মহিলাদের শৌচাগারের ক্ষেত্রেও। ২০১০-এ পশ্চিমবঙ্গ ভারতের যথেষ্ট নীচে, ২০১৬-তে (২০১০ সালে) মহিলাদের শৌচাগার নির্মাণে ও তা ব্যবহারের উপযোগী হয়েছিল। সারা ভারতের গ্রামের ৩২.৯ শতাংশ স্কুলে। পশ্চিমবঙ্গের অনুপাত ছিল মাত্র ২৩.৭ শতাংশ। ভারতের চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ কম। ২০১৬ সালে ৬৪.৩ শতাংশ, ভারতের গড় ৬১.৯ শতাংশ। সাফল্য দ্বিবিধ। প্রথমত, ২০১০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ৬ বছরে ভারতের গ্রামে শৌচাগার নির্মাণ ২৯ শতাংশ স্কুলে। পশ্চিমবঙ্গে সেখানে অতিরিক্ত বেড়েছে ৪১ শতাংশ স্কুলে। দেড়গুণ বেশি। দ্বিতীয়ত, বামফ্রন্টের শেষ নীচে ছিল। ২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের সাফল্য তাই ASER কর্তৃক ২০১৬-র বড় আকারের নমুনা সার্ভে থেকে এটা স্পষ্ট বলা বছরে পশ্চিমবঙ্গের গ্রামের স্কুলগুলোর তুলনায় যথেষ্ট বেড়েছে। অথচ বামফ্রন্টের শেষ বছরেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের অনুপাত ভারতের গড়ের যথেষ্ট নীচে ছিল। বর্তমান সরকারকে এটি আরও বাড়াতে হবে।


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

If You have any Questions or Query You caan freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW

আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন ।


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- If You have any Questions or Query You can freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন । #Don’t forget to share this post with your friends on social media

No comments:

Post a Comment

thanks for the comment

READ ALSO