শান্তিপুরের কালীপূজোকে ঘিড়ে রয়েছে অজস্র মিথ । - TBNEWS

Breaking

TBNEWS

explore the world news

Post Top Ad

READ ALSO

                                                             

Thursday, 19 October 2017

শান্তিপুরের কালীপূজোকে ঘিড়ে রয়েছে অজস্র মিথ ।

নদিয়া, ১৮ অক্টোবর- শান্তিপুরের মূল উৎসব রাস। তার আগে স্টেজ রিহার্সল কালীপুজে। কালীপুজোয় এখানে বামা ও দক্ষিণা কালী উভয়েই দেখা যায়। দক্ষিণা কালীর আদি রূপ আগমেশ্বরী। অনধিক চারশ বছরের প্রাচীন। এটি শাক্ত ও বৈষ্ণকের মিলন ও আধার। এই শক্তির পুজো যার হাত ধরে শান্তিপুরে সূচনা হয়। তিনি হলেন পণ্ডিত কৃষ্ণনন্দ আগামবাগীশের বংশধর। সার্বভৌম আগমবাগীশ । তিনি ছিলেন। তন্ত্রসাধক। তার নাম অনুসারেই এই দক্ষিণা কালীর নাম হয় আগমবাগীশ । আগমেশ্বরীর সৃষ্টি সম্পর্কে জনশ্রুতিতে বলা হয়, তন্ত্রসাধক আগমবাগীশ যখন ধ্যানে মূর্তি পাচ্ছিলেন না তখন স্বপ্নদৃষ্ট হলেন "সকালে আমায় যে মূর্তিতে দেখবি সেই মূর্তিকে পুজো করবি’। সকালবেলায় সাধক দেখলেন এক দেওয়ালে ঘুটে দিচ্ছে। ডান পা সামনে। সিঁথির সিঁদুরের ফোঁটা সারা কপালে ছড়িয়ে রয়েছে। আগমবাগীশকে দেখে গায়ালানি বেী লজ্জায় জিভ কাটলেন। সে সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গোটা কয়েক মশাল জ্বলিয়ে এবড়ো খেবড়ো শ্বাপদসঙ্কুল পথে এক তালা ঢাকের বোলে বাঘ তাড়িয়ে দেবীর অতিকায় মূর্তি নিরঞ্জন হত। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বর্তমানে মশাল বন্ধ হলেও ঠাকুর পাটে বুকিপূর্ণ ভাবে ঠাকুর ঘাড়ে করে বিসর্জন ঘাটে নিয়ে যাওয়া হলেও বর্তমানে মানুষের ঘাড়ের পরিবর্তে ঠাকুর যায় ট্রলারে। আগমেশ্বরীর সমসাময়িক বলে দাবি মহিষখাগীর। কোন এক সময় হাঁড়িকাঠে এক বাচ্চা মহিষ এসে পড়ার পর থেকেই নাকি ১০৮টি মহিষা বেড়ান। যদিও বর্তমানে মহিষখাগী ছাগ বলিও বন্ধ করেছে। জনশ্রুতিতে বলা হয় মহিষখাগী ও আগমেশ্বরী দুই সতীন। তাই তাদের সাক্ষাৎ যাতে না। হয় তার জন্য বিসর্জনের সময়ও আলাদা। যদিও সামনি হলে ভেঙে যেতে পারে বলে এই বিধান। সমকালীন পুজো বলেই দাবি শান্তিপুর বার চাঁদুনি ঘর চাপুনি ও তার থেকেই ঘাট চাদুনির পুজে। শান্তিপুর চাঁদুনি বাড়ির পুজো চৈতন্যের গৃহশিক্ষক সূচনা করেন বলে দাবি। আজও এই বাড়ির পুজোয় ংখ্য ছাগবলির বিধান রয়েছে। জজ বাড়ি ও চাঁদনি বাড়ির ঠাকুরের আদল একই ধরনের। জজ বাড়ির পুজোও প্রায় তিনশ বছরের প্রাচীন বলে দাবি। এ বাড়ির পুজের সূচনা হয়। গয়ায়। এ বাড়ির পূর্বপুরুষ জজ পণ্ডিত হিসেবে ব্রিটিশ আমলে গয়ায় কাজ শুরু করেন। य्नाप्ति *|ख्रिश्रुत श्राौनांद्र नदिनाद्र মধ্যে রয়েছে বুড়িমা’ বলে খ্যাত শান্তিপুরের পুরপ্রধান অজয় দে’র বাড়ির পুজো— প্রায় ৩৭০ বছরের প্রাচীন। ১০৫৫ বঙ্গাব্দে এ পুজোর সূচনা হয়। সে যুগে জাহাজে করে ডাকের মাধ্যমে সাজ আসত। ডাকের সাজের জন্য বিখ্যাত
ব্যতিক্রমী এই দক্ষিণাকালী অন্যান্য প্রতিমার চেয়ে খানিকটা পৃথক। শান্তিপুরের পুরপ্রধান অজয় দে বলেন, “বঙ্গ সংস্কৃতির আদি পীঠস্থান শান্তিপুর। শাক্ত ও বৈষ্ণবের এক মহা মিলন ক্ষেত্র। এখানে যেমন দক্ষিণাকালী আছে তেমনি বামাকালীরও আধিক্য দেখা যায়। হাজার হাজার মানুষের এ শহরে আগমন ঘটে। একই দিনে প্রতিমা নিরঞ্জন। বলিদান এখন অনেক কমেছে। বাজি এবং ডিজে সাউন্ডও उानद5ा निशलेिड। এদিকে শান্তিপুরে দক্ষিণাকালীর পাশাপাশি বামাকালী এবং ছােট বড় মাঝারি মাপের কয়েকশো ডাকাতে কালী ও শ্যামা কালীর পুজো হয়। ডাকাতে কালীর মূর্তি আগমেশ্বরীর আদলেই তৈরি। দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন সেকালের ডাকাতদের এটাই ছিল নাকি নীতি। এরা কোন ঘটনার আগে কালীর আরাধনা করে বের হত। প্রবাদ আছে এই মনোভবে। আকৃষ্ট হয়ে পরবর্তীতে শান্তিপুরে ডাকতে কালী ছড়িয়ে পড়ে। শান্তিপুরে বামাকালীর মধ্যে আদি হল বোম্বেটে কালী। ছেচল্লিশের দাঙ্গার সময় এই উগ্র বোম্বেটে মিলিটারির জন্ম। তারা শান্তিপুর কালী মুখার্জির মাঠে বামাকালীর পুজোর সূচনা ঘটান। বোম্বেটে কালী ছাড়াও কাশ্যপ পাড়ার ডাকাতে কালী, চড়জিজিরার বামাকালী, সত্তর দশকে স্থানীয় “হিরো’। সাধনার নামে বুড়োশিকতলায় সাধনা কালী (ডাকাতে কালী)’র পুজো শুরু হয়। আজ সাধনার বয়স বেড়েছে। পুজো হয় যুব মুক্তি সংঘের মাঠে। যদিও প্রতিবছর সাধনা বাৰু কলকাতা থেকে শান্তিপুরে এসে দুঃস্থদের মধ্যে কাপড় বিলি করেন।


twitter- ---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- If You have any Questions or Query You can freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন । #Don’t forget to share this post with your friends on social media

No comments:

Post a Comment

thanks for the comment

READ ALSO