শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ফ্রিডম পার্টির ১১ নেতাকমীর সাজা - TBNEWS

Breaking

TBNEWS

explore the world news

Post Top Ad

READ ALSO

                                                             

Monday, 30 October 2017

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ফ্রিডম পার্টির ১১ নেতাকমীর সাজা

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ফ্রিডম পার্টির ১১ নেতাকমীর সাজা{www.techxpertbangla.com}
photo credit-INT
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর-প্রায় তিন দশক আগে শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার খন্দকার আবদুর রশিদসহ ফ্রিডম পার্টির ১১ নেতাকমীকে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এর মধ্যে হত্যাচেষ্টার মামলায় ১১ আসামির প্রত্যেককে কুড়ি বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর বিস্ফোরক আইনের মামলায় তাদের সবার যাবজ্জীবন সাজার রায় এসেছে। ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর আজ রবিবার দুই দফায় এই দুই মামলার রায় ঘোষণা করেন। ১৯৮৯ সালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আওয়ামি লিগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বাড়িতে গুলি ও বোমা তদন্ত করে পুলিশ হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনের দুই ধারায় অভিযোগপত্র দেয়। সাজার আদেশ পাওয়া এই ১১ আসামি হলেন- বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল আহম্মদ, হুমায়ুন কবির ওরফে হুমায়ুন, গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ ও জর্জ মিয়া। অপরাধের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না। হওয়ায় অপর আসামি হুমায়ুন কবির ওরফে কবিরকে দুই মামলাতেই খালাস দিয়েছে আদালত। দণ্ডিত আসামিদের মধ্যে রশিদ, জাফর ও হুমায়ুন কবির ওরফে হুমায়ুন পলাতক। আর জামিনে থাকা শাজাহান বালুর জন্য বেশ কিছু সময় অপেক্ষার পরও তিনি না। আসায় বিচারক তার অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করেন। জামিনে থাকা কাজল, মিজান উপস্থিত ছিলেন। কারাগারে থাকা মামুন, সোহেল, মুরাদ ও জর্জ মিয়াকেও হাজির করা হয়েছিল। রায়ের পর তাদের সবাইকে কারাগারে পাঠানো হয়। বিচারক ১১ আসামিকে ওই সাজা।

দিয়েছেন। অপরাধজনক ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা, অপরাধমূলক কাজে সহযোগিতা এবং হত্যাচেষ্টার দায়ে। রায়ের পর্যবেক্ষণে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ঘটনা আর তার কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। একই আসামিদেৱ, একই ষড়যন্ত্রকারীদের পৃষ্ঠপোষকতায় শেখ হাসিনাকেও হত্যার ঘটনায় প্রথমে সাধারণ ডায়েরি করা হলেও পরে তা মামলায় রূপান্তর করা হয়। ওই এজাহার ছিল দুর্বল । কিন্তু মামলার তিন আসামি পরে আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। মামলার সাক্ষ্যপ্রমাণে এসেছে তারা বিভিন্ন সময়ে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে এবং সেই যড়যন্ত্র থেকেই তারা শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করে। ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে আওয়ামি লিগ সভানেত্রীর বাড়িতে যখন ওই হামলা হয়, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা তখন বাড়িতেই ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের নেতৃত্বে গঠিত হল ফ্রিডম পার্টির নেতাকমীরাই শেখ হাসিনাকে হত্য করতে ওই হামলা চালিয়েছিল বলে। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে। ওই ঘটনায়
বঙ্গবন্ধ ভবনের (বর্তমানে জাদুঘর) নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি জিডি করেন, পরে তা মামলায় রূপান্তর হয়। এজাহারে বলা হয়, ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল অতর্কিত গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায়। এইচ এম এরশাদের আমলে ওই মামলা হওয়ার পর ১৯৮৯ সালের ৮ ডিসেম্বর পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে বলে, অভিযোগের প্রমাণ তারা তদন্তে পায়নি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামি লিগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওই বছর ২ সেপ্টেম্বর মামলাটি পুনরুজজীবিত হয়। তদন্ত শেষে ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সিআইডির তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খালেকউজ্জামান আদালতে হত্যাচেস্টা ও বিস্ফরক আইনে দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ফ্রিডম পার্টির নেতা ও বঙ্গবন্ধুর খুনি সৈয়দহুদাসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়। সেখানে।২০০১ সালে আওয়ামি লিগ ক্ষমতা হারালে মামলাটি আবার নিশ্চল হয়ে পড়ে। শেখ হাসিনার দল পুনরায় ক্ষমতায় যাওয়ারপর ২০০৯ সালের ৫ জুলাই করে বিচার শুরু হয়। দ্রুত নিম্পত্তির জন্য মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে পাঠানো হলেও সাক্ষীদের হাজির করতে বিলম্ব এবং আসামিদের জবানবন্দি গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটকে না পাওয়ার বিচার থাকে ঝুলে। দ্রু-ত বিচার ট্রাইবুনালের বিচারের সময়সীমা পেরিয়ে গেলে মামলার নথি ঢাকার আদালতে পাঠানো হয়।
তিনজন বিচারকের হাত ঘুরে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ জাহিদুল কবির গত ১৬ অক্টোবর দুই মামলার যুক্তিতর্ক শুনে রায়ের তারিখ ঠিক করে দেন। মামলার অভিযোগপত্রে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক রহমান ও মেজর বজলুল হুদার নাম থাকলেও বঙ্গবন্ধ হত্যা মামলার রায়ে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি তাদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় এই দুই মামলা থেকে তাদের বাদ দেওয়া হয়। আর রেজাউল ইসলাম খান ফারুক ও লিয়াকত হােসেন কালা নামের দুই আসামির মৃত্যু হওয়ায় তাদের নামও বাদ দেওয়া হয় । দণ্ডিত আসামিদের মধ্যে সৈয়দ নাজমুল পার্টির কমী হিসাবে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরে ইন্টারপোলের মাধ্যমে ২০১৪ সালের ২০ মার্চ আটলান্টা থেকে তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হয়। এ মামলায় বিচার কাজ চলে মোট ৬৬ কাৰ্যদিবস। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১২ জনের সাক্ষ্য শোনে আদালত। আসামিপক্ষে কেউ সাক্ষ্য দেননি। উল্লেখ্য, পচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় মোট ১১ বার চেষ্টা চালানো হয়। গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় বােমা পুতে হামলার মামলাটিতে এই বছরই রায় হয়। গত আগস্টে দেওয়া এই রায়ে ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড হয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার আলোচিত মামলাটির বিচারও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

If You have any Questions or Query You caan freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW

আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন ।


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- If You have any Questions or Query You can freely ask by put Your valuable comments in the COMMENT BOX BELOW আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি নিচে COMMENT BOX এ আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলি করতে পারেন । #Don’t forget to share this post with your friends on social media

No comments:

Post a Comment

thanks for the comment

READ ALSO